odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 26th June 2026, ২৬th June ২০২৬
মার্কিন প্রতিবেদনের দাবি নাকচ করল ইসলামাবাদ ও তালেবান প্রশাসন

পাকিস্তানে ইরানের যুদ্ধবিমান রাখার অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১২ May ২০২৬ ১৫:৫২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১২ May ২০২৬ ১৫:৫২

অধিকার পত্র ডটকম আন্তর্জাতিক ডেক্স,

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে ইরানের সামরিক বিমান ও সমরাস্ত্র আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে সামরিক সম্পদ রক্ষায় ইরান পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কিছু বিমানঘাঁটি ব্যবহার করছে।

প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান পাকিস্তানের নূর খান বিমানঘাঁটিতে কয়েকটি বিমান সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে একটি আরসি-১৩০ গোয়েন্দা বিমানও ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এই বিমানটি মূলত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয়।

আরও বলা হয়, ইরানের একটি বেসামরিক বিমান আফগানিস্তানেও রাখা হয়েছে। “মাহান এয়ার”-এর একটি বিমান প্রথমে কাবুলে অবতরণ করে এবং পরে নিরাপত্তার কারণে হেরাত বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই খবর প্রকাশের পর Lindsey Graham পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, তথ্য সত্য হলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন হতে পারে।

তবে অভিযোগগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে Pakistan ও আফগান তালেবান প্রশাসন। পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা বলেন, নূর খান বিমানঘাঁটি রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত। সেখানে বিদেশি যুদ্ধবিমান গোপনে রাখা বাস্তবসম্মত নয়।

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র Zabihullah Mujahid। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে কোনো ইরানি বিমান রাখা হয়নি এবং এ ধরনের দাবির কোনো ভিত্তি নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ইসলামাবাদ। ফলে এই অভিযোগ ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: