odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 19th July 2026, ১৯th July ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য

চীনের সঙ্গে জিও-পলিটিক্যাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ July ২০২৬ ০০:০৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ July ২০২৬ ০০:০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকা: চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘লং লিভ বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গতিশীল ও গভীর হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের তরুণদের জন্য চীনে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ, সৌরবিদ্যুৎ, সবুজ জ্বালানি, আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনের উচ্চগতির রেল প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বাস্তবায়নে তাদের আগ্রহ রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে হাইস্পিড রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার সম্ভাবনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতেও চীন সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জান মিল্লাত, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও উন্নয়ন সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আগামী দিনে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: