— সম্পাদকীয় বিশেষ কলাম (Editorial Feature Column) | পঞ্চম পর্ব
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, টেস্ট বাণিজ্য ও রেফার আতঙ্কের মর্মান্তিক চিত্র তুলে ধরেছে এই সাহিত্যভিত্তিক বিশ্লেষণধর্মী কলাম। এক বাস্তব কেস স্টাডির আলোকে স্বাস্থ্যসেবার নৈরাজ্য এবং কাঠামোগত দুর্বলতা উন্মোচন করে সম্ভাব্য সমাধান ও নীতিগত আহ্বান জানানো হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্রের নবকুমার যখন বনে পথ হারিয়েছিলেন, তখন তিনি এক কাপালিকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আজকের বাংলাদেশের একজন সাধারণ মানুষ যখন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালের বারান্দায় দাঁড়ান, তখন তাঁর অবস্থাও সেই দিকভ্রান্ত নবকুমারের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। চারদিকের সাদা অ্যাপ্রন আর ওষুধের গন্ধের মাঝে তিনি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে ভাবেন— "আমি কি আরোগ্য লাভের পথে আছি, নাকি স্রেফ নিঃস্ব হওয়ার পথে?"
আমাদের অধিকারপত্র জানায় সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আনন্দ ভাগাভাগি করতে পাঠকদের জন্য বিশেষ গান উপহার
নজরুলের সেই 'দুর্দিনের যাত্রী'র তেজ আজ যেন হাসপাতালের ট্রলিতে শুয়ে কাতরাচ্ছে। আসুন, আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতের ময়নাতদন্ত করি বঙ্কিম ও নজরুলের সেই চিরন্তন সাহিত্যিক চশমা দিয়ে।
১. সরকারি হাসপাতাল: নজরুলের 'সিংহ-শার্দূল-শঙ্কিত' অরণ্য
নজরুল লিখেছিলেন, "সিংহ-শার্দূল-শঙ্কিত কণ্টক-কুণ্ঠিত বিপথে আমাদের চলা।" আপনি যদি কোনো বড় সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে যান, তবে এই লাইনের মর্ম হাড়াহাড়িতে টের পাবেন। সেখানে 'সিংহ-শার্দূল' হিসেবে বিরাজ করেন প্রভাবশালী সিন্ডিকেট আর দালালের দল।
একজন রোগী যখন গ্রাম থেকে নদী-নালা পাড়ি দিয়ে চিকিৎসার আশায় শহরে আসেন, দালালরা তাকে বঙ্কিমী ঢঙেই জিজ্ঞেস করে— "পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছো? এসো, আমি তোমাকে সুলভে ভালো ডাক্তার দেখাই।" সেই 'সুলভ' পথের শেষ গন্তব্য হয় কোনো এক অপরিচ্ছন্ন ক্লিনিক, যেখানে রোগীর পকেট আর প্রাণ—দুই-ই বলি দেওয়া হয় নজরুলের সেই কাপালিকের মন্দিরের মতো।
২. টেস্টের গোলকধাঁধা ও কাপালিকের রক্ত-তিলক
নজরুলের প্রবন্ধে সেই মন্দিরের বেদিতে "টপটপ করে রক্ত পড়ার" দৃশ্য ছিল। আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এই 'রক্ত' হলো রোগীর কষ্টার্জিত টাকা, যা অপ্রয়োজনীয় টেস্টের (Diagnostic tests) মাধ্যমে শুষে নেওয়া হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র যদি আজ কোনো ক্লিনিকে গিয়ে দেখতেন একজন সামান্য জ্বরের রোগীর হাতে একগাদা টেস্টের লিস্ট ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তবে তিনি হয়তো কপালকুণ্ডলার মাধ্যমে বলতেন— "পথিক, তুমি কি চিকিৎসার পথ হারাইয়া পরীক্ষার গোলকধাঁধায় প্রবেশ করিয়াছো?" আমাদের ল্যাবরেটরিগুলো আজ যেন সেই কাপালিকের মন্দির, যেখানে মেশিনের শব্দে "তাতা থৈথৈ" নাচন চলে আর দিনশেষে প্রেসক্রিপশনটি হয়ে ওঠে এক "রক্ত-মাখা খড়্গ"।
৩. অগ্নিরথ ও 'মেডিকেল টুরিজম'
নজরুল লিখেছিলেন, "আকাশ থেকে অগ্নিরথ নেমে এল। বলিদানের তরুণরা তাতে চড়ে যখন ঊর্ধ্বে উঠে যেতে লাগল..." আজকের বাংলাদেশের উচ্চবিত্ত বা সামর্থ্যবান মধ্যবিত্তের জন্য এই 'অগ্নিরথ' হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বা স্রেফ ইন্ডিগো-ভিস্টারা-এয়ার ইন্ডিয়ার টিকিট।
দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে যখন প্রতি বছর হাজার হাজার 'পথিক' ভারত, থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমায়, তখন বুঝতে হবে আমাদের দেশের 'ভৈরবী' (স্বাস্থ্য প্রশাসন) পথ হারিয়েছে। নজরুল যে 'ভৈরব-গান' গেয়েছিলেন জাগরণের জন্য, তা আজ বিদেশের হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের দীর্ঘশ্বাসে পরিণত হয়েছে। আমরা ঘর হারাইনি সত্য, কিন্তু আমরা নিরাপদ 'আরোগ্যশালা' হারিয়ে ফেলেছি।
৪. স্বাস্থ্য খাতের ব্যবচ্ছেদ: এক নজরে পরিসংখ্যান
কেন আমাদের স্বাস্থ্য-পথিকরা বিদেশের পথে পা বাড়ায়? নিচের টেবিলটি আমাদের অব্যবস্থাপনার একটি এক্স-রে রিপোর্ট:

কেস স্টাডি: একটি লিথিয়াম ব্যাটারি, অসহায় পিতা-মাতা এবং আমাদের ‘রেফার’ আতঙ্ক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপাল ভালো, তিনি এই যুগে জন্মাননি। জন্মালে ‘পথিক, তুমি কি পথ হারাইয়াছো?’ না লিখে হয়তো লিখতেন—‘পথিক, তুমি কি হাসপাতালে আসিয়াছো? তবে তো তুমি ফতুর হইয়াছো!’
গল্পটা কোনো কল্পকাহিনি নয়। আমাদের চোখের সামনে ঘটা এক নির্মম প্রহসন। ঘটনার নায়ক তিন বছরের এক নিষ্পাপ শিশু, আর পার্শ্বনায়ক তার বাবা—যিনি খোদ আমাদের ‘অধিকারপত্র’ নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক। আর খলনায়ক? সে এক লিথিয়াম ব্যাটারি এবং আমাদের তথাকথিত ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থা’।
ঘটনার শুরু: এক সন্ধ্যায়। খেলতে খেলতে শিশুটি একটি বিষাক্ত লিথিয়াম ব্যাটারি গিলে ফেলে। ব্যাস, শুরু হলো পিতা-মাতার ম্যারাথন দৌড়। গন্তব্য: সন্তানের জীবন। কিন্তু পথটা যে এত কণ্টকাকীর্ণ, কে জানত!
প্রথম অঙ্ক — ভলিবল খেলার নাম ‘রেফার’: প্রথমে যাওয়া হলো এক প্রাইভেট হাসপাতালে। এক্স-রে হলো। ডাক্তার সাহেব এক্স-রে ফিল্মটা এমনভাবে দেখলেন যেন কোনো গুপ্তধনের মানচিত্র দেখছেন। রায় দিলেন—‘সিরিয়াস কেস! গ্যাস্ট্রোলিভারের মামলা। এখানে হবে না, ঢাকা মেডিকেলে যান।’ শুরু হলো ‘রেফার’ নামক ভলিবল খেলা। বলের নাম ‘রোগী’, আর খেলোয়াড়রা হলেন আমাদের ডাক্তার সমাজ।
রাত তখন ৯টা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। ডাক্তাররা ব্যস্ত, নার্সরা মহাব্যস্ত। এক্স-রে রিপোর্ট দেখে সেখানকার ডাক্তারও একই রায় দিলেন—‘ইমার্জেন্সি! দ্রুত জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউটে যান।’ পিতা-মাতার বুক তখন ধড়ফড় করছে। একে তো পেটে ব্যাটারি, তার ওপর ‘বিষক্রিয়া’ আর ‘লিক’ হওয়ার ভয়। ছুটলেন মহাখালীর দিকে।
দ্বিতীয় অঙ্ক — যমদূত আছে, ডাক্তার নেই: রাত ১০টা। জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট। চকচকে ভবন, কিন্তু ভেতরটা যেন ভুতুড়ে বাড়ি। ইমার্জেন্সিতে একজন নার্স ছাড়া কাকপক্ষীও নেই। ডাক্তার কোথায়? কেউ জানে না। ফোন করা হলো বড় কর্তাদের। রিং হয়েই যাচ্ছে। অবশেষে নার্স জানিয়ে দিলেন সেই ঐতিহাসিক বাণী— “রাতে রোগী মারা গেলেও আমাদের কিছু করার নেই।” বাহ! কী চমৎকার আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা! এখানে ‘সেবা’র সাইনবোর্ড আছে, কিন্তু সেবকের দেখা নেই। মনে হলো, হাসপাতালের গেটে লিখে রাখা উচিত—‘নিজ দায়িত্বে অসুস্থ হউন, মরিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না।’
তৃতীয় অঙ্ক —টেস্ট বাণিজ্যের ফাঁদ: উপায় না দেখে ঢাকা মেডিকেলের এক সহৃদয় ডাক্তারের পরামর্শে যাওয়া হলো মালিবাগের এক নামকরা প্রাইভেট হাসপাতালে। ততক্ষণে রাত গভীর। সেখানকার ডাক্তার সাহেব পুরনো এক্স-রে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। ভাবখানা এমন—‘দুই ঘণ্টা আগের এক্স-রে তো বাসি হয়ে গেছে, ওতে আর কাজ হবে না।’ নতুন করে এক্স-রে, নতুন টেস্ট। বিলের মিটার ঘুরতে শুরু করল। ঘণ্টাখানেক পর ডাক্তার জানালেন, “প্রচণ্ড সিরিয়াস! সার্জারি লাগবে। স্পেশালিস্ট কল করতে হবে। অনেক টাকার ব্যাপার।” সন্তানের জীবন নিয়ে শঙ্কিত বাবার কাছে তখন টাকা তুচ্ছ। তিনি রাজি। কিন্তু ডাক্তার ম্যানেজ করতে করতেই রাত ১২টা পার। ওদিকে বাচ্চার পেটে ব্যাটারি তখন দিব্যি বিশ্রাম নিচ্ছে, আর বাইরে বাবা-মায়ের হার্টবিট বাড়ছে।
চতুর্থ অঙ্ক — পরদিন এবং পুনরায় দৌড়: আমি তখন সম্পাদক মহোদয়কে পরামর্শ দিলাম, “ভাই, রাতটা কোনোমতে পার করেন। সকালে শিশু হাসপাতালে যাব।” পরদিন সকালে শিশু হাসপাতাল। আউটডোর টিকিট, লম্বা লাইন, ভর্তি প্রক্রিয়া—সব ধাপ পার করে যখন ডাক্তার দেখানো হলো, তখন আবার সেই এক্স-রে! মনে হচ্ছে ব্যাটারিটা পেটের ভেতর ফুটবল খেলছে, তাই বারবার পজিশন চেক করতে হচ্ছে। রিপোর্ট এল। সার্জারি যিনি করবেন, তিনি নেই। আমি এবার আমার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফোন করলাম ডাক্তারকে। তিনি বললেন, “আজ তো আর হাসপাতালে আসব না। প্রাইভেট ক্লিনিকে আসেন। তবে খরচ বেশি হবে।” এরপর দয়া পরবশ হয়ে বললেন, “আচ্ছা, মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভারে যান।”
পঞ্চম অঙ্ক — লাঞ্চ ব্রেক ও অন্তিম প্রহসন: শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভারে পৌঁছাতে বাজল দুপুর ২টা। হাসপাতাল তখন যেন নিঝুমপুরী। সবাই লাঞ্চে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর এক নার্স পাওয়া গেল। আবার টিকিট, আবার এক্স-রে (বাইরে থেকে)। কিন্তু বিধি বাম! ডাক্তার সাহেব আজ আসবেন না। হতাশ, বিধ্বস্ত পিতা-মাতা তখন প্রায় পাগলপারা। সরকারি হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক—সব দরজাই যখন মুখের ওপর বন্ধ, তখন এক বন্ধুর পরামর্শে গ্রিন রোডের এক বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া।
সেখানেও সিরিয়ালের নিয়মকানুনের জাঁতাকল। পিতা-মাতা আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না। চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করতেই ডাক্তার মহোদয় এক্স-রে দেখতে চাইলেন। এক্স-রে দেখলেন। তারপর বাচ্চাকে বেডে শোয়াতে বললেন। কোনো বড় সার্জারি নয়, পেট কাটা-ছেঁড়া নয়। মাত্র তিন মিনিটে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে তিনি ব্যাটারিটি বের করে আনলেন। হেসে বললেন, “বিষয়টি খুবই নরমাল।”
পরিসমাপ্তি: প্রশ্নের মুখে বিবেক: যে কাজ তিন মিনিটে হয়, সে কাজের জন্য তিন বছর বয়সী এক শিশুকে নিয়ে পিতা-মাতাকে ২৪ ঘণ্টা ধরে ঢাকার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে কেন দৌড়াতে হলো? কেন শুনতে হলো—‘সার্জারি লাগবে’, ‘টাকা লাগবে’, ‘মারা গেলে কিছু করার নেই’?
পিতা-মাতা হাসলেন, কারণ সন্তান বেঁচে গেছে। কিন্তু এই হাসি কি আমাদের স্বাস্থ্যখাতের নগ্নতাকে ঢেকে দিতে পারবে? জনগণের টাকায় গড়ে ওঠা ইমারতগুলোতে যে ‘জমিদারি প্রথা’ চলছে, তা কবে শেষ হবে? ডাক্তার এবং হাসপাতালের এই ‘রেফার’ বনাম ‘টেস্ট বাণিজ্য’ আর কতদিন চলবে?
আজ সম্পাদক মহোদয়ের সন্তান বলে হয়তো শেষমেশ রক্ষা পেল, কিন্তু হাজারো সাধারণ ‘পথিক’ যারা প্রতিদিন এই গোলকধাঁধায় পথ হারায়, তাদের খবর কে রাখে?
সমাধান কবে? নাকি আমরা কেবল প্রশ্নই করে যাব—‘পথিক, তুমি কি আসলেই পথ হারাইয়াছো?
শেষ প্রত্যাশা: শিব জাগাবার পথ কি মিলবে?
নজরুল বলেছিলেন, "ছেড়ে দে বেটি, ছেড়ে দে শিবকে, কল্যাণকে উঠে দাঁড়াতে দে।" আমাদের স্বাস্থ্য খাতের সেই 'শিব' বা জনকল্যাণ আজ দুর্নীতির শবের নিচে চাপা পড়ে আছে। বঙ্কিমচন্দ্রের নবকুমার যেমন শেষে নিস্তার পেয়েছিলেন, আমাদের সাধারণ মানুষও তেমনি নিস্তার চায় অপ্রয়োজনীয় টেস্ট, দালালের দৌরাত্ম্য আর ভুল চিকিৎসার হাত থেকে।
উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে আমাদের দাবি— স্বাস্থ্য খাতকে কেবল একটি 'বাজার' বা 'রক্ত-পূজার মন্দির' হিসেবে দেখবেন না। নজরুলের সেই 'অগ্নিরথ' যেন কেবল বিদেশের টিকিট না হয়, বরং তা যেন হয় আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন আমাদের নিজস্ব হাসপাতাল।
পথিক যদি সুস্থ না থাকে, তবে সে নজরুলের 'বিপ্লব' কিংবা বঙ্কিমের 'সংসার'—কোনো পথেই হাঁটতে পারবে না। তাই আসুন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই কণ্টকাকীর্ণ অরণ্য পরিষ্কার করি, যাতে কোনো পথিককে আর দিশেহারা হয়ে বিদেশের মাটিতে প্রাণ হারাতে না হয়।
নজরুলের ভাষায় শেষ করি— "পথ হারাই নাই দেবী! এই সেবার পথই সুস্থ সমাজ জাগাবার পথ।"
(আপনার মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান কমেন্ট বক্সে জানান আপনার ভাবনা। তবে অনুরোধ—বিনা কারণে রিলস বা অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও শেয়ার করবেন না!)
বি.দ্র. আগামীকাল পড়ুন: সম্পাদকীয় বিশেষ কলাম (Editorial Feature Column) | ষষ্ঠ পর্ব পর্ব
- প্রফেসর ড. মাহবুব লিটু, উপদেষ্টা সম্পাদক, আমাদের অধিকারপত্র (odhikarpatranews@gmail.com)
#স্বাস্থ্যখাত #বাংলাদেশ_চিকিৎসা #টেস্ট_বাণিজ্য #হাসপাতাল_দুর্নীতি #রেফার_সঙ্কট #নজরুল_বঙ্কিম #স্বাস্থ্য_সেবা #সম্পাদকীয় #স্বাস্থ্য_নীতি #MedicalSystemBD

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: