odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 29th August 2026, ২৯th August ২০২৬
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

লুণ্ঠিত অস্ত্রের তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার।অধিকারপত্র

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৯ August ২০২৬ ২১:১২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৯ August ২০২৬ ২১:১২

অধিকারপত্র ডটকম :

ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬: লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

শনিবার রাজধানীর রাজারবাগ বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে পুলিশ সদরদপ্তর আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, পিস্তল, রিভলবার বা শটগান উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেল ও অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের ক্ষেত্রে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিট গঠন করে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল করা অস্ত্রের লাইসেন্স জমা না দেওয়ায় সেগুলোকে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দায়বদ্ধতার বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বন্ধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

সম্মেলনে বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: