odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Sunday, 17th May 2026, ১৭th May ২০২৬
২০২৭ সালের মধ্যে নতুন পাইপলাইন চালুর পরিকল্পনা; হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথে দৈনিক তেল রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ করতে চায় সংযুক্ত আরব আমিরাত

হরমুজ প্রণালি এড়াতে নতুন তেল পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৭ May ২০২৬ ০১:৩০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৭ May ২০২৬ ০১:৩০

অধিকার পত্র ডটকম আন্তর্জাতিক ডেক্স


মূল প্রতিবেদন

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন তেল পাইপলাইন নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি অ্যাডনক (ADNOC) জানিয়েছে, ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে এটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের উপস্থিতিতে প্রকল্পটির ঘোষণা দেওয়া হয়। অ্যাডনক জানিয়েছে, নতুন অবকাঠামোর কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

বর্তমানে আমিরাতের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইনের দৈনিক পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ১৮ লাখ ব্যারেল। নতুন পাইপলাইন চালু হলে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার ছাড়াই দেশটির তেল রপ্তানি সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় বিকল্প রপ্তানি পথ তৈরির দিকে ঝুঁকছে উপসাগরীয় দেশগুলো।

ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আমিরাতের তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করলেও পরে তা প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমিরাত জানিয়েছে, নতুন পাইপলাইন চালু হলে যুদ্ধ-পূর্ব রপ্তানি সক্ষমতার বেশিরভাগই পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করেছে দেশটি।

এদিকে, চলতি মাসেই সৌদি নেতৃত্বাধীন জ্বালানি জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আমিরাত। আবুধাবির দাবি, এর ফলে উৎপাদন ও রপ্তানি নীতিতে তারা আরও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ইরানের নিকটবর্তী হওয়ায় আমিরাতের জ্বালানি অবকাঠামো এখনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে হাবশানের গ্যাস স্থাপনা এবং ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

একই সময়ে হরমুজ প্রণালির বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌদি আরবও কাজ করছে। দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বর্তমানে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির সুযোগ দিচ্ছে।

 

হরমুজ প্রণালি এড়াতে নতুন তেল পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

#আমিরাত #হরমুজপ্রণালি #তেলরপ্তানি #মধ্যপ্রাচ্য #অ্যাডনক #আন্তর্জাতিকসংবাদ #অধিকারপত্রডটকম



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: